জাতিসমূহের যুদ্ধ কোন যুদ্ধকে এবং কেন বলা হয়?
চতুর্থ শক্তি জোটের বিভিন্ন সদস্য রাষ্ট্র ১৮১৩ খ্রিস্টাব্দে জার্মানির লাইপজিগের যুদ্ধে নেপোলিয়নকে পরাজিত হয়। এই লাইফজিগের বা জাতিসমূহের যুদ্ধ নামে পরিচিত। ইউরোপের প্রায় 13 টি রাষ্ট্র লাইপজিগের যুদ্ধ নামে পরিচিত। ইউরোপের প্রায় ১৩ রাষ্ট্র লাইপজিগের যুদ্ধে ফ্রান্সের বিরুদ্ধে অংশ নেয়। এইজন্য এই যুদ্ধ কে 'জাতিসমূহের juddho'বলা হয়।
জাতিসমূহের যুদ্ধ হল ১৮১৩ সালের ১৬ অক্টোবর থেকে ১৯ অক্টোবর পর্যন্ত জার্মানির লিপজিগ শহরের কাছে সংঘটিত একটি যুদ্ধ। এই যুদ্ধে নেপোলিয়ন বোনাপার্টের নেতৃত্বাধীন ফরাসি সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে রুশ, অস্ট্রিয়া, প্রুশিয়া, সাক্সোনি, ব্রিটেন, সুইডেন এবং অন্যান্য ছোট ছোট রাজ্যের একটি জোটের সেনাবাহিনী যুদ্ধ করে। এই যুদ্ধে ফরাসিরা পরাজিত হয় এবং নেপোলিয়নের পতন শুরু হয়।
জাতিসমূহের যুদ্ধের কারণ কী ছিল?
এই যুদ্ধকে জাতিসমূহের যুদ্ধ বলা হয় কারণ এতে ইউরোপের বিভিন্ন জাতির সেনারা অংশগ্রহণ করেছিল। এই যুদ্ধে ফরাসিদের বিরুদ্ধে লড়াইকারীদের মধ্যে ছিল জার্মানির বিভিন্ন জাতি, অস্ট্রিয়া, প্রুশিয়া, রুশ, ব্রিটেন, সুইডেন এবং অন্যান্য ছোট ছোট রাজ্যের সেনারা। এই যুদ্ধে ফরাসিরা পরাজিত হলে ইউরোপের বিভিন্ন জাতি তাদের স্বাধীনতা এবং সার্বভৌমত্ব পুনরুদ্ধার করতে সক্ষম হয়।
এই যুদ্ধের ফলে নেপোলিয়নের শক্তি দুর্বল হয়ে পড়ে এবং ১৮১৫ সালের ওয়াটারলু যুদ্ধে তার পরাজয়ের মধ্য দিয়ে নেপোলিয়নের সাম্রাজ্য ভেঙে পড়ে।
1# ফ্রান্সের সম্রাট নেপোলিয়ন বোনাপার্টের সাম্রাজ্যবাদী নীতি।
2# ফ্রান্সের বিরুদ্ধে ইউরোপের বিভিন্ন দেশের অসন্তোষ।
3# ফ্রান্সের রুশ অভিযানে ব্যর্থতা।
এই যুদ্ধের ফলাফল ছিল:
1# ফ্রান্সের পরাজয়।
2# নেপোলিয়নের ক্ষমতাচ্যুত।
3# ফ্রান্সের সাম্রাজ্যবাদের অবসান।
4# ইউরোপে নতুন একটি ভারসাম্য প্রতিষ্ঠিত।