"গাছের প্রাণ আছে " সম্পর্কে লিখো।
১। গাছের প্রাণ আছে এটা জগদীশচন্দ্রের জন্মের বহু আগে বিজ্ঞানীরা বলেছেন। আরিস্টটল থেকে ভারতের অথর্ববেদ অবধি। এই নিয়ে কারও কোনো সংশয় ছিল না। তাহলে জগদীশচন্দ্র করলেন কী? ক্রেসকোগ্রাফ যন্ত্র বানালেন। এতে গ্রাফিক্যালি দেখানো গেল যে, প্রাণীর মতো উদ্ভিদও উত্তেজনায় সাড়া দেয়। শুধু দেয় এটা দেখিয়েই ক্ষান্ত হলেন না তিনি। কতটা আঘাতে কতটা সাড়া দেয় ( মানে মানুষ হলে চিমটি কাটা আর মারধোরের সাড়া এক হবে না) সেটাও দেখালেন। ভাবলেই বোঝা যাবে কী অভূতপূর্ব এই আবিষ্কার।
১৬৬৫ সালে রবার্ট হুক নামে এক ভদ্রলোক প্রথম উদ্ভিদ কোষ দেখেন। ১৮৩৮ সালে স্লাইডেন ও সোয়ান কোষের থিওরি দেন। তাতে প্রাণী ও উদ্ভিদ দুই কোষের কথাই আছে। জগদীশচন্দ্র যেটা আবিষ্কার করেছেন, বিজ্ঞানীরা তাঁকে বলেন Plant perception বা সংবেদনশীলতা। প্রাণের সঙ্গে এর বিস্তর তফাত।