বাংলাদেশের জাতীয় সংগীতের রচয়িতা কে?
বাংলাদেশের জাতীয় সংগীতের রচয়িতা হলেন বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। ১৯০৫ সালে বঙ্গভঙ্গ আন্দোলনের সময় তিনি এই গানটি রচনা করেন। গানটি প্রথম প্রকাশিত হয় ১৯১২ সালের "বঙ্গদর্শন" পত্রিকার আশ্বিন সংখ্যায়। গানটি রবীন্দ্রনাথের "গীতবিতান" গ্রন্থের স্বরবিতান অংশভুক্ত।
গানটিতে বাংলার প্রকৃতির সৌন্দর্য ও মাতৃভূমির প্রতি ভালোবাসার কথা ফুটে উঠেছে। ১৯৭১ সালের ৩ মার্চ স্বাধীনতার ইসতেহারে এই গানটিকে বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত হিসেবে ঘোষণা করা হয়।
এই গানটি ২৫ লাইনের, তবে জাতীয় সংগীত হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে মাত্র ১০ লাইন।

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা ২৫ লাইনের গানটির প্রথম দশ লাইন হল:
আমার সোনার বাংলা, আমি তোমায় ভালোবাসি।
চিরদিন তোমার আকাশ, তোমার বাতাস, আমার প্রাণে বাজায় বাঁশি
ও মা, ফাগুনে তোর আমের বনে ঘ্রাণে পাগল করে,
মরি হায়, হায় রে—
ও মা, অঘ্রানে তোর ভরা ক্ষেতে আমি কী দেখেছি মধুর হাসি॥
কী শোভা, কী ছায়া গো, কী স্নেহ, কী মায়া গো—
কী আঁচল বিছায়েছ বটের মূলে, নদীর কূলে কূলে।
মা, তোর মুখের বাণী আমার কানে লাগে সুধার মতো,
মরি হায়, হায় রে—
মা, তোর বদনখানি মলিন হলে, ও মা, আমি নয়নজলে ভাসি।